বড়দের জন্য ১৮+ এডাল্ট জোকস পার্টঃ-২০

(১) এক লোক অনেক বছর ধরে বিয়ের
জন্য
মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু
কিছুতেই তার কোনো মেয়েকে
পছন্দ হচ্ছে না। বছরের পর বছর
ধরে সে
মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছে। অতঃপর
এবার একটি মেয়ে দেখতে গেলে
বাঁধে বিপত্তি। মেয়ের মা
পাত্রকে দেখে অজ্ঞান হয়ে যায়।
হুশ
ফিরে আসার পর সবাই তাকে
জিজ্ঞেস করলো, পাত্রকে দেখে
বেহুঁশ হলে কেন?
মেয়ের মা বললো,
.
.
.
.
.
.
২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে
এসেছিল!

(২) এক ভদ্রলোক তার বাড়ির দেয়ালে দিখে দিলেন- “এখানে প্রসাব করবেন না,করলে ৫০টাকা জরিমানা”
.
.
.
.
[দুষ্ট বল্টু রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলো এবং দেয়ালের লেখাটি পড়লো]
.
.
.
.
বল্টু দেয়ালের কাছে গিয়ে লেখাটার “না” এর পরের কমটা মুছে, “না” এর আগে একটা কমা বসিয়ে দিলো।
.
.
অবশেষে লেখাটি হলো- “এখানে প্রসাব করবেন,না করলে ৫০টাকা জরিমানা”
(এখন প্রসাব না কইরা কোনো উপায় নাই)

(৩) বল্টু পুলিশ কে ফোন করে বলছে
দারোগা সাব পাশের বাসার
মহিলা জানালা খোলা রেখে
গোসল করে আমার খুব প্রবলেম হয় ।






পুলিশ বল্টুর বাসায় এসে
সব দেখে বলছে কোথায়
আমি তো কোনো জানালা
দেখতে পাচ্ছি না ?




বল্টুঃ দারোগা সাব এভাবে
দেখতে পাবেন না ।
এই সিঁড়ি বেয়ে ছাঁদে উঠে যান ,
তারপর পাশের ঐ পুরানো টিনের
ছাউনিটাই চলে যান ,
তারপর ঐ যে গাছটা দেখছেন
ঐটাই উঠে দেখুন আমি
কতো প্রবলেমে আছি।

(৪) চান্দু গেলো ” কে হতে চায় কোটিপতি ”
অনুষ্ঠানে !!
১০০০ টাকার জন্য চান্দুকে প্রশ্ন করা হলঃ
আপনার বাবার নাম কি ??
অপশনগুলো হচ্ছে,
A. Amir Khan.
B. Shah Rukh Khan.
C. মখলেস মিয়াঁ
D. Sachin Tendulkar.
চান্দু অনেকক্ষণ ভাবার পর
বললঃ আমি লাইফ লাইন নিতে চাই । ৫০-৫০।
দুটো অপশন মুছে গেলো,
রইলঃ
C. মখলেস মিয়াঁ
D. Sachin Tendulkar.
চান্দু তবুও নিশ্চিত নয়। বলল,
আমি দর্শকদের সাহায্য
নিতে চাই ।
দর্শক ভোটিং এর রেসাল্টঃ
C. মখলেস মিয়াঁ (৮০% )
D. Sachin Tendulkar. (২০% )
চান্দু, এবারো নিশ্চিত নয় । বলল, আমি
আমার শেষ অপশন ফোন ফ্রেন্ড ব্যাবহার
করতে চাই ।
উপস্থাপকঃ আপনি কাকে ফোন করতে
চান ?
.
.
.
চান্দুঃ আমার বাবা , জনাব মখলেস
মিয়াঁকে !!
.
উপস্থাপক অজ্ঞান ! !! লেও ঠ্যালা !
হা..হা…হা….হা…..হা

(৫)এক সুন্দরী যুবতী
ওষুধের দোকানের
সামনে চুপ করে
দাঁড়িয়ে ছিল।
সে দোকানের ভীড়
কমার অপেক্ষায় ছিল।
দোকানের মালিক
তার দিকে বেশ
সন্দেহের দৃষ্টিতে
তাকাচ্ছিল মাঝে
মাঝে।
ভাবছিল, সে এমন
কিছু জিনিষ কিনতে
এসেছে সেটা নিতান্ত
গোপনীয়।
কারুর সামনে সে বলতে
বোধহয় লজ্জা বোধ
করছে। আর নিজেও
চাইছে যেন
ভীড়টা তাড়াতাড়ি
কমে যায়। ওষুধের
বিক্রী কমে কমুক,
সুন্দরী যুবতীটির কী
প্রয়োজন আর সেটা সে
মেটাতে পারবে কিনা,
সেই ভেবেই তার
অস্থির অবস্থা।
0
অনেকক্ষণ দাঁড়ানোর
পর অবশেষে দোকানটা
একটু ফাঁকা হল।
মেয়েটি দোকানে ঢুকল
আর মালিককে একটু
ঈশারায় ডাকল,
সলজ্জ ভঙ্গীতে
একটা কাগজ দোকান-
মালিকের দিকে এগিয়ে
দিল আর
অতি সুরেলা ভঙ্গীতে,
প্রায় ফিসফিস করে
বলল,
0
“কাকু, আমার
না……আমার না এক
ডাক্তারের সঙ্গে
বিয়ে পাকা হয়ে গেছে।
আর আজ না ওনার
প্রথম চিঠি পেয়েছি।
ডাক্তারদের হাতের
লেখা তো
আপনারাই পড়তে
পারেন, তাই একটু এটা
পড়ে শোনাবেন..?
আমি কিচ্ছু বুঝতে
পারছিনা কাকু।

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Call Now
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

১৮ প্লাস

Call Now