বড়দের জন্য ১৮+ এডাল্ট জোকস পার্টঃ-১৭

(১) -জান
–হুম
-আমরাতো কোনদিন লাগাই নাই, চলো না আজকে লাগাই,
–তোমারে না বলছি বিয়ার আগে এসব বলবা না, আমরা কি আর ১০ জনের মতো অসভ্য নাকি??
,….
…..
…..
…..
……
……
……..
……..
…..
-গাছ লাগানো অসভ্যতার অংশ?? জানতাম না তো,

(২) শীতে কাঁপতে কাঁপতে চায়ের দোকানে মফিজ হাক ছাড়লো –
ওই জলদি গরম গরম এক কাপ চা লাগা, ঠান্ডার কি ঠাপ রে বাপ !

মুহুর্তের মধ্যে এক পিচ্চি গরম এক কাপ চা এগিয়ে দিয়ে বলল – এই যে মামা চা ।
মফিজঃ ওই ব্যাটা কাপ ধরাটাও জানস না। এভাগে চায়ের কাপ কেউ ধরে নাকি? চায়ের ভিতর তো আঙ্গুল ডুকাইয়া ফালাইছস।
পিচ্চিঃ সরি মামা আঙ্গুলে ব্যাথা পাইছি তো তাই ডাক্তার বলছে গরম শেক দিতে।
মফিজঃ (চায়ে একটা চুমুক দিয়ে) হালার পুত, আঙ্গুল পাছার ভিতর ভইরা রাখ, ওইখানে সব চাইতে বেশী গরম শেক পাইবি।
পিচ্চিঃ এতোক্ষন আঙ্গুল ওইখানেই ছিল মামা, আপনার অর্ডার পাইয়া তো বাইর করলাম।

(৩) এক ছাত্র পরিক্ষায় ফেল করে বললো
“স্যার
আপনাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবো
যদি উত্তর না দিতে পারেন
তাহলে আমাকে Aগ্রেড দিতে হবে
শিক্ষক:-ঠিক আছে
ছাত্র:-কোনটা বৈধকিন্তু
যুক্তিসংগত নয়,
যুক্তিসংগত কিন্তু বৈধ নয়
এবং না যুক্তিসংগ
না বৈধ??
শিক্ষক কোন উত্তর
দিতে না পেরে ছাত্রকে Aগ্রেড
দিলো
তারপর ছাত্র এর উত্তর দিলো
>
>
>
>
>
>
>
>
>
>
ছাত্র:-স্যার আপনার
বয়স ৫৩ বছর আর আপনার স্ত্রীর বয়স
২৩বছর এটা বৈধ
কিন্তু যুক্তিসংগত নয়
আপনার স্ত্রীর ২৫ বছর
বয়সি একটা বয়ফ্রেন
আছে এটা যুক্তিসংগত
কিন্তু বৈধ নয়
আর এখন আপনি
আপনার স্ত্রীর
লাভার কে Aগ্রেড
দিলেn এটা
না বৈধ….!
না যুক্তিসংগত…..!

(৪) জনৈক শ্বাশুড়ি আম্মা তার তিন
জামাইয়ের
ভালবাসা পরিক্ষার সিদ্ধান্ত
নিলো
প্রথম দিনঃ শ্বাশুড়ি পুকুরে ঝাঁপ দিল
প্রথম জামাই- তাকে বাঁচানোর জন্য
পুকুরে লাফ দিলো…
শ্বাশুড়ি খুশি হয়ে তাকে একটা গাড়ি দিলো…
দ্বিতীয় দিনঃ আবার পুকুরে ঝাঁপ


দিল…
দ্বিতীয় জামাইও তাকে বাঁচাইল আর
শ্বাশুড়ি তাকেও একটা বাইক গিফট
করল।
এবার তৃতীয় দিনঃ
আবার পুকুরে ঝাঁপ দিল…
তিন নম্বর জামাই মনে করলো
আমার ভাগ্যে তো সাইকেল
ছাড়া কিছু
নাই
তাই সে আর ঝাপ দিলো না আর !
শ্বাশুড়ি মারা গেলো!
কিন্তু পরের দিন ওই জামাই একটা BMW
পাইলো!
কিন্তু কিভাবে???

.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
শ্বশুর আব্বায় খুশি হইয়া দিয়া লাইছে!

(৫) বল্টুর লেখাপড়া
বল্টু ও ম্যাডামের মধ্যে কথা হচ্ছে
বল্টুঃ ম্যাডাম আপনি কি মুরগি?
ম্যামঃ কি সব আলতু ফালতু কথা
বলো !?! আমি কি দেখতে মুরগির
মতো??
বল্টঃ তাহলে আপনি আমার খাতায়
প্রতিদিন আন্ডা দেন কেন?
কেউ বল্টুরে মাইরালা !!
আবার একদিন
বল্টু গেল শারীরিক
শিক্ষা পরীক্ষা দিতে
বলটুর প্রশ্ন এলো :
ধর্ষণ কাকে
বলে ?
বলটুর
উত্তরঃ
কর্তার ইচ্ছায়
কর্তীর
অনিচ্ছায়,হস্তে
রউপর হস্ত
ফেলিয়া,জোর পূর্বক
বস্ত্র
খুলিয়া,একটি
নির্দিষ্ট
বিন্দুকে কেন্দ্র
করিয়া অপর একটি
লম্ব দন্ড অনবরত
উঠানামা করিলে যে
ঘর্ষনের
সৃষ্টি হয়
এবং ঘর্ষনের
পরে যে বর্ষনের সৃষ্টি
হয়তাহাকে ধর্ষণ
বলে।
খাতা দেখে শিক্ষক
বেহুশ…

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Call Now
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

১৮ প্লাস

Call Now