ভারতীয় বিমান হাইজ্যাকের চেষ্টা

ভারতে নয়াদিল্লিগামী একটি বিমান নিরাপত্তা হুমকির কারণে মধ্য আকাশে গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে। ১২২ আরোহী নিয়ে বিমানটি মুম্বাই থেকে নয়াদিল্লি যাচ্ছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম একথা জানিয়েছে।

সূত্র মতে, নিরাপত্তা হুমকি পাওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজের এ ফ্লাইট সোমবার গতিমুখ পরিবর্তন করে আহমেদাবাদে অবতরণ করে।

খবরে বলা হয়, একজন বিমানবালা একটি চিরকুট দেখতে পায় যেখানে বিমান ছিনতাইয়ের কথা উল্লেখ করা হয়। বিমানবালা এ বিষয়ে পাইলটকে সতর্ক করেন।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

জেট এয়ারওয়েজের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বিমানে নিরাপত্তা হুমকি থাকায় সেটি যাচাই করার অংশ হিসেবে জরুরি ঘোষণার পর দিল্লির উদ্দেশে মুম্বাই থেকে ছেড়ে আসা বোয়িং ৭৩৭-৯০০ ফ্লাইটটি গতিমুখ পরিবর্তন করে আহমেদাবাদের দিকে যায়। কোনো ধরণের ঘটনা ছাড়াই এটি আহমাদাবাদে অবতরণ করে। বিমান ঘাঁটির এক কিনারায় এটিকে পার্ক করা হয়। পরে ওই বিমানের ১১৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রূ’র সবাইকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।

এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এছাড়া বিমানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

ভারত-পাকিস্তানের গ্যাস চাহিদা মেটাবে রাশিয়া!
ভারত ও পাকিস্তানের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে দেশ দুটিতে গ্যাস রফতানির জন্য ইরান থেকে পাইপলাইন তৈরি করতে চায় রাশিয়া। এজন্য পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দর ব্যবহারের জন্য ইসলামাবাদের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে মস্কো।

মার্কিন চাপ উপেক্ষা করেই রাশিয়া এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করার চিন্তা করছে। এর আগে, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে যে গ্যাস পাইপলাইন তৈরির প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে আমেরিকা প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। পাইপলাইন প্রকল্পে ইরানের অংশের কাজ শেষ হলেও চাপের মুখে পাকিস্তান তার অংশ এখনো শেষ করেনি।

রাশিয়ার নতুন প্রকল্প সম্পর্কে পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, ইরানের ভেতরে রুশ কোম্পানিগুলোর হাতে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দর ব্যবহার করে পাইপলাইনের সাহায্যে এই গ্যাস ভারতে রফতানি করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাশিয়া। সেজন্য মস্কো পাকিস্তানকে এ পাইপলাইন প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

গোয়াদার বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য রাশিয়া প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতেও প্রস্তুত বলে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এজন্য সম্প্রতি রাশিয়ার একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করেছে।

পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের কাছে বলেছেন, ইরান থেকে সমুদ্র পাইপলাইনের মাধ্যমে রুশ কোম্পানির গ্যাস কেনার ব্যাপারে ভারতও আগ্রহী কারণ, এর ফলে দেশটির জন্য জ্বালানি আমদানির নিরাপদ রুট খুলে যাবে।

পাক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন আরো জানিয়েছে, এর আগে আইপি গ্যাস পাইপলাইনের অংশ ছিল ভারত। কিন্তু মার্কিন পীড়াপিড়ির মুখে ভারত সে প্রকল্প থেকে সরে যায়। এতে ইরান ও রাশিয়া দুই দেশই ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ হয়। কিন্তু এখন আবার নতুন করে সামুদ্রিক পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির বিষয়ে দিল্লি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে এবারও আমেরিকা ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং ভারত সে চাপ কীভাবে মোকাবেলা করে সেটাই বড় বিষয়।

রাশিয়ার কাছ থেকে গ্যাস আমদানির জন্য ভারত আগেই একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। সম্প্রতি পাকিস্তানও গ্যাস আমদানির বিষয়ে রাশিয়ার সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে।

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Call Now
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

১৮ প্লাস

Call Now